ফিউচার মার্কেটে চলতি বছরের লেনদেনের শুরুতে কমেছে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রফতানি কমে যাওয়ার তথ্য পণ্যটির মূল্যহ্রাসে ভূমিকা রেখেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গত শুক্রবার মার্চে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম কমেছে ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৯৯০ রিঙ্গিতে। এছাড়া গত সপ্তাহজুড়ে পাম অয়েলের দরপতনের হার ছিল ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
কার্গো জরিপ প্রতিষ্ঠান ইন্টারটেক টেস্টিং সার্ভিসেস এবং ইন্সপেকশন কোম্পানি অ্যামস্পেক এগ্রি মালয়েশিয়ার বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডিসেম্বরে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল ও পাম অয়েলজাত পণ্যের রফতানি মাস ভিত্তিতে ৫ দশমিক ২ থেকে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।
মুম্বাইভিত্তিক ব্রোকার কোম্পানি সানভিন গ্রুপের কমোডিটি রিসার্চ হেড অনিলকুমার বাগানি জানান, ডিসেম্বরজুড়ে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি ৫ শতাংশেরও বেশি কমেছে।
তিনি বলেন, ‘বুধবার শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিন তেলের বিক্রি বেড়েছে। এটিও পাম অয়েলের দাম কমে যাওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা পুরো মাসের মালয়েশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন পরিসংখ্যানের অপেক্ষায় রয়েছেন।’
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরে পাম অয়েল উৎপাদন কত হয়েছে সে পরিসংখ্যান প্রকাশ হলে পরবর্তী সময়ে দাম কত হবে তার ধারণা পাওয়া যাবে। সে তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও শুল্কসংক্রান্ত উদ্বেগে ২০২৫ সালে পাম অয়েলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমেছে। এদিকে ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, জানুয়ারির জন্য অপরিশোধিত পাম অয়েলের (সিপিও) রেফারেন্স মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে টনপ্রতি ৯১৫ ডলার ৬৪ সেন্ট, যা ডিসেম্বরের টনপ্রতি ৯২৬ ডলার ১৪ সেন্টের তুলনায় কম।